শনিবার, ০৪ Jul ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
নিত্যপণ্যের লাগামহীন দাম বাড়ায় দুশ্চিন্তায় সাধারণ মানুষ। সরকারি প্রতিষ্ঠান টিসিবির হিসাবেই একবছরে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে গড়ে ৩৫ শতাংশ। নিম্নবিত্তের সঙ্গে টিসিবির ট্রাকের সামনে এখন দাঁড়াতে হচ্ছে মধ্যবিত্তকেও। তেল-চিনি-চাল থেকে ব্রয়লার মুরগি পর্যন্ত চলে যাচ্ছে নাগালের বাইরে। বিপরীতে বাজার নিয়ন্ত্রণে শুধু চেষ্টার কথাই বলছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে কিনতে হচ্ছে সয়াবিন তেল, দাম ১৬০ টাকা লিটার। আর মোটা চালই বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজিতে, সরু চাল প্রায় ৭০ টাকা। মাস দুয়েক আগেও যে ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ১১০ টাকা কেজি, এখন তা কিনতে লাগছে দুইশ টাকায়। আর নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গেছে সোনালী মুরগি। মাস তিনেক আগের ৬৫ টাকার চিনি কিনতে গুণতে হচ্ছে ৯০ টাকায়।
ডিম-আলু থেকে শুরু করে একই অবস্থা অন্যান্য খাদ্যপণ্যেরও। এই বাড়তি দাম কমার কোনো লক্ষণ তো নেই-ই, উপরন্তু তা ঊর্ধ্বমুখী। এতে নিম্নবিত্ত এখন আর দিশেহারা নয়, পড়েছে আতঙ্কে।
সংসার সামলাতে, গরিবের টিবিসির ট্রাকে লাইন ধরতে দেখা যাচ্ছে মধ্যবিত্তকেও। সেখানে দাঁড়িয়েই নিজের নাভিশ্বাস অবস্থার কথা জানালেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা নুরুল আমিন।
সরকারি প্রতিষ্ঠান এই টিসিবির হিসাবেই এক বছরে দ্রব্যমূল্য গড়ে বেড়েছে ৩৫ শতাংশ। এ অবস্থায় বাজার নিয়ন্ত্রণের সেই চিরায়ত চেষ্টার গল্পই শোনাচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
সরকারিভাবে নানা যুক্তি, আশ্বাস দেয়া হলেও বাস্তবের চিত্র ভিন্ন। দাম কমছে না বরং প্রতিনিয়ত অস্থির হচ্ছে নিত্যপণ্যের বাজার। এমন অবস্থায় এখনই কার্যকর পদেক্ষেপ না নিলে আগামীতে বাজার পরিস্থিতে কোন দিকে যায় তা নিয়ে শঙ্কায় সবাই।